৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট উত্তর – ৬ষ্ঠ সপ্তাহ

৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা এসাটইনমেন্ট উত্তর – class 9 history assignment answer

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর: সুপ্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, মিডিয়া বাজার ২৪ এ সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। আশা করি সবাই ভালো আছেন। তোমাদের ভালো থাকাটাই আমাদের কাম্য।

তোমরা কি ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট এর উত্তর সম্পকে ধারনা নিতে চাচ্ছো। সেটা হতে পারে ৯ম শ্রেণির আইসিটি, পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান,ইাতহাস, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এসাইনমেন্টএর উত্তর খুজছো? কিংবা কিভাবে এসাইনমেন্ট প্রস্তুত করে ভালো নম্বর পাওয়া যায় সেই বিষয়ে জানতে চাচ্ছো? তাহলে আমি বলবো তোমরা ঠিক জায়গায় এসেছো।এর কারন হচ্ছে এই পোষ্টটি অনুসরন করে তোমরা ৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট সম্বন্ধে একটা ক্লিয়ার ধারনা পেয়ে যাবে। এবং এর সাথে আমরা ৯ম শ্রেণির ইতিহাস এসাইনমেন্ট এর উত্তর দিয়ে দিবো। আপনারা চাইলে সেগুলো দেখে এসাইনমেন্ট প্রস্তুত করতে পারবেন।

এই পোস্টটির নিচে নবম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের সকল এসাইনমেন্ট উত্তরের লিংক দেওয়া থাকবে আপনারা চাইলে সেগুলো দেখতে পারেন।

৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাাস এবং বিশ্বসভ্যতা এসাটইনমেন্ট উত্তর

 

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট উত্তর এখান থেকে শুরু…..

০৭ জুন, ২০২১ খ্রিঃ

প্রধান শিক্ষক

সোনারহাট উচ্চ বিদ্যালয়

কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

বিষয় : বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার।

সূত্র :প.ন.গ/১৯২/২০০১ তারিখ : ০৩ জুন, ২০২১ খ্রিঃ

’’বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন’’

ভূমিকা: আদিম যুগের মানুষ কৃষিকাজ জানো না। বনের ফলমূল খেয়ে তারা জীবন ধারণ করতো। পরবর্তীতে কৃষিভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুরনো পাথরের যুগ শেষ হয়ে মানুষের যাযাবর জীবন অবসান ঘটে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতির পিছনে মানুষ যুগ যুগ ধরে পরিশ্রম করে গেছে। বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনের পিছনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান অনেক।

মিশরীয় সভ্যতা এবং এর অবদান: মিশরীয় সভ্যতা উত্তর আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন সভ্যতা। প্রাচীন দেশ মিশরে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৩২০০ অব্দ পর্যন্ত নীল নদের নিম্নভূমি অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে। মিশর প্রাচীন সভ্যতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে মিশরীয় সভ্যতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। প্রাচীন বিশ্বসভ্যতায় মিশরীয়দের মত ভাস্কর্যশিল্পে অসাধারণ প্রতিভার ছাড়া আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি। মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।

 

মিশরের আর্থসামাজিক অবস্থা: মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। উৎপাদিত ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গম, যব, তুলা, পেঁয়াজ পিচফল। ব্যবসা-বাণিজ্যে মিশর ছিল অগ্রগামী। মিশরে উৎপাদিত পণ্য অন্য দেশে রপ্তানি হতো। বিভিন্ন দেশ থেকে মিশরীয় স্বর্ণ-রৌপ্য ইত্যাদি আমদানি করত। মিশর নীলনদের দান। নীলনদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো। নীলনদে জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতো নানা ধরনের ফসল। তারা পিরামিড তৈরিতে পটু ছিল।

সিন্ধু সভ্যতা এবং এ অবদান: সিন্ধু নদের অববাহিকায় অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা। পন্ডিতের মতে খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ পর্যন্ত সিন্ধু সভ্যতার উত্থান পতনের কাল। সভ্যতার ইতিহাসে সিন্ধু সভ্যতার একটি পরিকল্পিত নগরী ধারণা দিয়েছে। সিন্ধু সভ্যতার যুগে মানুষ সমাজবদ্ধ পরিবেশে বাস করত।

সিন্ধু সভ্যতার অদিবাসীরা উন্নত ধরনের নাগরিক সভ্যতায় অভ্যস্ত ছিল। রাস্তাঘাট পাকা আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হতো। বাড়ির সামনে বিশাল খালি জায়গা রাখা হত। নিরাপত্তার জন্য শহরে সৈন্য মোতায়েন থাকত। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও জানতো। ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল। তারা ধর্মীয় ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রয়োজনে সিল ব্যবহার করত।

 

সিন্ধু সভ্যতার আর্থসামাজিক অবস্থা: সিন্ধু সভ্যতার অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষি নির্ভর। তাছাড়া অর্থনীতির আর একটি বড় দিক ছিল পশুপালন ও বাণিজ্য। কৃষি ও পশুপালনের পাশাপাশি মৃৎপাত্র নির্মাণ, ধাতুশিল্প, বয়নশিল্প, অলংকার নির্মাণ, পাথরের কাজ ইত্যাদিতেও তারা যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। এই উন্নতমানের শিল্প পণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সিন্ধু সভ্যতার বণিকরা বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ রক্ষা করে চলত। বণিকদের সাথে আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান, মধ্য এশিয়া, পারস্য, মেসােপটেমিয়া, দক্ষিণ ভারত, রাজপুতনা, গুজরাট প্রভৃতি অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যােগাযােগ ছিল।

প্রতিবেদকের নাম : মো:সোলায়মান খাঁন
প্রতিবেদনের ধরন : প্রাতিষ্ঠানিক
প্রতিবেদনের শিরোনাম : বিশ্ব সভ্যতার অগ্রগতি সাধনে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার অবদান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উপর একটি প্রতিবেদন’।
প্রতিবেদন তৈরির স্থান : কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।
তারিখ : ০৭.০৬.২০২১ খ্রিঃ

বি:দ্র- তোমার নিজের নাম ও বিদ্যালয়ের নাম দিতে হবে।

তোমরা বিষয়গুলো সার্চ করো:–

ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট ক্লাস নাইন,
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট এর উত্তর, ৯ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এসাইনমেন্ট,
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি এসাইনমেন্ট, এসাইনমেন্ট নবম শ্রেণি ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,
ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, history of bangladesh assignment answer class 9, class 9 assignment history of bangladesh, assignment on history of bangladesh

নবম শ্রেণির ৬ষ্ঠ শ্রেণির সকল এসাইনমেন্ট উত্তর দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *